স্কেটিংয়ের গিয়ার: কোনটা লাগবেই, বগুড়ায় কোথায় পাবেন

হেলমেটের মাপ যাচাইয়ের তিনটি নিয়ম, কোন জিনিসে কম খরচে চলে আর কোনটায় চলে না।

“পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙবে না তো?” — ভর্তির আগে প্রায় প্রত্যেক অভিভাবক এটা জিজ্ঞেস করেন। সোজা উত্তর হলো, ঠিকমতো গিয়ার পরা থাকলে বড় ধরনের আঘাতের ঝুঁকি প্রায় থাকে না। কিন্তু “ঠিকমতো” কথাটার মধ্যেই আসল ব্যাপারটা।

তিনটা জিনিস ছাড়া মাঠে নামা যায় না

আমাদের ক্লাসে এই নিয়মে ছাড় নেই, কারো জন্যই না।

  • হেলমেট। মাথার আঘাত ছাড়া বাকি সব সেরে যায়। তাই এটা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না।
  • হাঁটুর প্যাড। শেখার সময় প্রায় সব পতনই হাঁটুর ওপর। সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে এটাই।
  • কনুইয়ের প্যাড। পেছন দিকে পড়লে কনুই বাঁচায়।

কব্জির গার্ড বাধ্যতামূলক না, তবে বড় বাচ্চাদের জন্য নেওয়া ভালো। পড়ার সময় হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে কব্জিতে চোট লাগা খুব সাধারণ ঘটনা।

দোকানে হেলমেট-এর মাপ যাচাই করবেন যেভাবে

বেশিরভাগ অভিভাবক একটু বড় দেখে কেনেন, যাতে কয়েক বছর চলে। কিন্তু ঢিলা হেলমেট পড়ার সময় সরে যায়, তখন সেটা না থাকারই সমান। তিনটা জিনিস দেখে নিন:

  1. স্ট্র্যাপ না বেঁধে হেলমেট পরিয়ে মাথা ঝাঁকান। নড়লে মাপ বড়।
  2. ভ্রুর ওপরে দুই আঙুল ফাঁক থাকা উচিত। কপাল খোলা থাকলে হবে না।
  3. স্ট্র্যাপ বাঁধার পর থুতনির নিচে একটা আঙুল ঢুকবে, তার বেশি নয়।

কোথায় কম খরচ করবেন, কোথায় করবেন না

প্যাড-এ সস্তা জিনিস নেওয়া যায়। ওগুলো এমনিতেই ক্ষয় হয়, বছরখানেক পর বদলাতে হয়। কিন্তু হেলমেট-এ কম দামের খোঁজ করবেন না। ভালো একটা হেলমেট কয়েক বছর চলে, আর এটাই একমাত্র জিনিস যেটা সত্যিকারের বিপদ ঠেকায়।

বগুড়ায় কোন দোকানে ভালো জিনিস পাওয়া যায় সেটা আমরা বলে দিতে পারি। আমাদের ছাত্রছাত্রীদের জন্য কয়েকটা দোকানে ছাড়ের ব্যবস্থাও আছে, ক্লাসে এসে জিজ্ঞেস করলেই হবে।

কেনার পর

প্রতি ক্লাসের পর প্যাড খুলে বাতাসে শুকাতে দিন। ঘাম জমে থাকলে গন্ধ হয় আর ভেলক্রো আলগা হয়ে যায়। আর হেলমেট-এ একবার জোরে বাড়ি লাগলে বাইরে থেকে ঠিক দেখালেও ভেতরের ফোম চেপে বসে যেতে পারে। এমন হলে বদলে ফেলাই ভালো।

বগুড়ায় সন্তানকে স্কেটিং শেখাতে চান?

একটা মেসেজ দিন, বাকিটা বুঝিয়ে বলব। ভর্তি ফি ৳১৫০০, এরপর মাসে ৳২৫০০। ব্যাচ ছোট রাখি বলে প্রতি মাসে অল্প কয়েকজনই নিতে পারি।

ভর্তি হতে যোগাযোগ